প্রকাশ :
জামায়াতে ইসলামীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো বিশেষ মর্যাদার দাবি রাখে। কিন্তু এলাকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। এ অঞ্চল আর কখনো অবহেলিত থাকবে না। উত্তরাঞ্চলের মানুষ অনেক ধর্মপ্রাণ ও অল্পে তুষ্ট।
ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রতিবেশী ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকবো। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে আমরা প্রতিবেশীসুলভ আচরণ চাই। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যা-গুমসহ অসংখ্য মামলা রয়েছে। আদালত যখন চাইবে তখন তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়ার জন্য তিনি ভারতের প্রতি আহবান জানান।
নীলফামারী জেলা জামায়াতের উদ্যোগে আজ পৌরসভা মাঠে আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীরে জামায়াত এসব কথা বলেন।
জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আনতাজুল ইসলামের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মমতাজ উদ্দিন, মাহবুবুর রহমান বেলাল, শহীদ মহিদুলের পিতা আনোয়ার হোসেন, ঠাকুরগাঁওয়ের সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আব্দুল হাকীম, নীলফামারীর সাবেক জেলা আমীর আব্দুর রশিদ, দিনাজপুর জেলা আমীর অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান, লালমনিরহাট জেলা আমীর এডভোকেট আবু তাহের, নীলফামারী জেলা নায়েবে আমীর ড. খায়রুল আনাম, পঞ্চগড় জেলা আমীর অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিগত সাড়ে পনের বছর দেশে কোনো শান্তি ছিল না। সকল ধর্মের মানুষ নির্যাতিত ছিল। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ছিল বেশি নির্যাতিত। সকল অফিস সীলগালা করে দেয়া হয়েছিল। কাউকে ঘরে থাকতে দেয়া হয়নি।’
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সর্বপ্রথম সেনাবাহিনীর উপর আঘাত করা হয়েছে। বিডিআর এর ৫৭ জন দেশ প্রেমিক কর্ম কর্তাকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর ঘাতকদের পালিয়ে যেতে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তদন্ত করা হয়েছে, কিন্তু সে তদন্ত রিপোর্ট আজও প্রকাশ করা হয়নি।